আন্তর্জাতিক সূচিতে দীর্ঘ বিরতি এবং আসন্ন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও দক্ষতা ধরে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে বিশেষ কন্ডিশনিং ক্যাম্প। মাঠের ক্রিকেটে ব্যস্ততা না থাকলেও ক্রিকেটারদের অলস সময় না কাটিয়ে অনুশীলনের মধ্যে রাখতেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এই বিশেষ ক্যাম্পটি কতদিন স্থায়ী হবে, সে বিষয়ে বিসিবি এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তন না করায় বাংলাদেশ দলের এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা হচ্ছে না। এছাড়া আগামী মার্চ মাসের আগে জাতীয় দলের কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ নেই এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচি নিয়েও এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। এই দীর্ঘ বিরতিতে ক্রিকেটারদের খেলার ছন্দে রাখাই বিসিবির মূল লক্ষ্য।
বর্তমানে জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ছুটিতে রয়েছেন। অন্যান্য বিদেশি কোচদের ছুটির বিষয়ে বিসিবি থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু জানানো না হলেও, আসন্ন এই ক্যাম্পে দেশি কোচেদের ওপরই ভরসা রাখছে বোর্ড। দেশের দুই খ্যাতনামা কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও মোহাম্মদ আশরাফুলের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন করবেন ক্রিকেটাররা। মূলত আসন্ন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগকে (বিসিএল) সামনে রেখেই এই প্রস্তুতির আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাম্পে সাদা বলের পাশাপাশি লাল বলের ক্রিকেটেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বিসিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ক্রিকেটাররা মূলত তাদের ব্যক্তিগত দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে চলতি বছরের দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজগুলোতে ভালো পারফর্ম করে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। তাই এই ক্যাম্পে ওয়ানডে ফরম্যাটের প্রস্তুতির ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত স্কিল বা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আলাদা সেশন পরিচালনা করার পরিকল্পনাও রয়েছে বিসিবির।
রিপোর্টারের নাম 
























