কিছুক্ষণ বন্ধ থাকার পর ঢাকায় আবার মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকেই ট্রেনগুলো একদম নিয়মমতো চলতে দেখা যাচ্ছে।
এর আগে, কাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টার দিক থেকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এই বিষয়ের সাথে যুক্ত সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, ফার্মগেটে আগে যেখানে বিয়ারিং প্যাড পড়ে দুর্ঘটনা ঘটেছিল, ঠিক সেই জায়গায় গতকাল আবার কিছুটা কাঁপুনি (কম্পন) টের পাওয়া যায়। একারণেই, নিরাপত্তার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
ওই সময়, ডিএমটিসিএলের জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন যে, মতিঝিল থেকে শাহবাগ এবং ওদিকে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো চলাচল ঠিকঠাকই চলছে (শুধু মাঝের অংশটুকু বন্ধ)।
আসল ঘটনা হলো, গত রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট স্টেশনের পশ্চিম পাশে, উড়ালপথ আর পিলারের সংযোগের জায়গায় থাকা একটা বিয়ারিং প্যাড হঠাৎ খুলে নিচে পড়ে যায়। তাতে আবুল কালাম নামে একজন পথচারী মারা যান। ওই দুর্ঘটনার পরপরই মেট্রো রেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
পরে, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন আবার চালু করা হয় আর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মতিঝিল থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ট্রেন চালানো শুরু হয়। এরপর যখন বিয়ারিং প্যাডটা আবার ঠিকমতো বসানো (পুনঃস্থাপন) হলো, তার পরদিন অর্থাৎ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে পুরো লাইনেই মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
তবে, সাবধানতার অংশ হিসেবে ফার্মগেটের ওই দুর্ঘটনার জায়গায় গত তিন দিন ধরেই ট্রেনগুলো বেশ আস্তে (ধীরগতিতে) চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই ওই জায়গাটায় ট্রেনের গতি কমিয়ে আনা হয়েছে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) থেকে জানা গেছে, কাল রাতে ফার্মগেটে দুর্ঘটনার ওই জায়গার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একজন ট্রেন চালক হালকা কাঁপুনি অনুভব করেন। তিনি সাথে সাথেই ব্যাপারটা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান। এরপরই ওই অংশে ট্রেন চলাচল কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডিএমটিসিএলের যে নির্ধারিত সময়সূচি আছে, সে অনুযায়ী উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে রাতের শেষ ট্রেনটা ছাড়ে রাত সাড়ে ৯টায় আর মতিঝিল থেকে উত্তরার দিকে শেষ ট্রেনটা ছেড়ে যায় রাত ১০টা ১০ মিনিটে।
রিপোর্টারের নাম 





















