ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় ‘ভুখা মিছিল’ করছিলেন শিক্ষকরা। এসময় পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় আহত ৫০ জনকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সবাই সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন, মোছাম্মদ নাসরিন আক্তার (৪৫), নজরুল ইসলাম (৫৫), ওসমান (৩৫), আব্দুল জলিল (৪৫), মাসুদ আলম (৬০), আহমদ আলী (৪৫), রুহুল আমিন (৪৫), সুমিত (৪০), আব্দুল হাদী (৩২), মোহাম্মদ আমিন (৪৮), সমীর (২৩), মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম (৩৫), অজ্ঞাত নম্বর পুরুষ (৪৮),শাহ আলম (৫৫), নুরুল ইসলাম (৫০), শাহাবুদ্দিন (৩০), মোহাম্মদ মোস্তফা (৩২), মোস্তাকিম (২৬), মোরশেদ আলম (৪৫), আরিফুর (৩৫), মোহাম্মদ আজিজুল হক (৩৫), মোসাম্মৎ কুলছুম বেগম (৩৮), মোহাম্মদ শাহ আলম (৭৫), আব্দুস সালাম (৪৫), সালেক (৩৮), ফেরদৌস (৩৫), মোজাম্মেল হক (৫৫), আরিফুল (৩২), নূর হোসেন (৪৬),অজ্ঞাত পরিচয়ের পুরুষ (৩৫), অজ্ঞাত পরিচয়ের পুরুষ (৩৪), মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মোহাম্মদ আলাউদ্দিন (৫০), মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (৩৬), মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ (৫৫), লুৎফুর রহমান (৩৬), আব্দুল্লাহ(৩৫), মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (৫০) ও মনিরুজ্জামান (৪৭)।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ নামের একজন জানান, শিক্ষকরা সচিবালয়ের সামনে যাওয়া মাত্রই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে। এতে তাদের অন্তত পঞ্চাশ জন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) ফারুক জানান, সচিবালয়ের সামনে থেকে অন্তত পঞ্চাশ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসেছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের অনেকেরই মাথায়, হাতে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















