ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নবম পে-কমিশনের কাছে এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ অনুদান চেয়েছে। এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাকে উৎসাহিত করার কাজে ব্যবহার করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত প্রস্তাবনা কমিটি এই প্রস্তাব পেশ করেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নবম পে-কমিশনের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তুলে ধরতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় এবং সেখানেই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়।
এই প্রস্তাবনায় গবেষণা অনুদান, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক বৃত্তি এবং উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন খাতে আনুপাতিক হারে অনুদান বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন-ভাতা যৌক্তিক হারে বাড়ানোর বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা কমিটি দাবি করেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে তা দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। একইসাথে এটি সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার দাবিকেও প্রতিফলিত করে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, পে-কমিশনের মাধ্যমে এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখতে মেধাবীদের আকৃষ্ট করা সহজ হবে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবনা কমিটির সদস্য সচিব ড. শাফি মো. মোস্তফাসহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























