ট্রান্সকম গ্রুপের শেয়ার আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নাটকীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেও বিকেলেই তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন লাভ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গত ১১ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বুধবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ পিবিআইয়ের দেওয়া সেই চার্জশিট আমলে নিয়ে সিমিন রহমান, তার মা শাহনাজ রহমান ও ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক সামসুজ্জামান পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
তবে পরোয়ানা জারির কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন সিমিন রহমানসহ তিন আসামি। আসামিপক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে সিমিন রহমানসহ তিন আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেছিলেন। পরবর্তীতে তারা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা গ্রহণ করেন।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, এই মামলায় মোট ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্য তিন আসামি—ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক এবং আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক বুধবার নির্ধারিত সময়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের আইনজীবী স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, জালিয়াতির মাধ্যমে শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























