আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। বিশেষ করে রমজানে অধিক চাহিদাসম্পন্ন পণ্যগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত ও মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে আগেভাগেই বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি প্রদান করা সম্ভব হবে।
সম্প্রতি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের মজুত ও বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রস্তুতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের তুলনায় এবার আমদানি পর্যায়ে ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। এরই মধ্যে নিত্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক ও কর প্রত্যাহার করেছে। বিশেষ করে ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ খেজুরের সরবরাহ ও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে এর আমদানি শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। এনবিআরের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খেজুর আমদানিতে বিদ্যমান ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আমদানি পর্যায়ে শুল্ক কমানো হয়েছে ১০ শতাংশ, যা মোট শুল্কের প্রায় ৪০ শতাংশ ছাড়। গত ২৪ ডিসেম্বর এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং এই সুবিধা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























