ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপরিচিত খল-অভিনেতা শিবা শানু এবং ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ আব্দুল্লাহ রানা একে অপরের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে এই সংঘাত বাস্তব জীবনের কোনো ঘটনা নয়, বরং আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত একটি বিশেষ অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়ালের (ওভিসি) চিত্রনাট্য। ‘আরবিট ক্রিয়েটিভ হাব’-এর ব্যানারে নির্মিত এই ওভিসিটি ইতোমধ্যেই দর্শক ও ব্যবসায়িক মহলে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
মূলত ই-কমার্স ও এফ-কমার্স উদ্যোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক সাফল্যের গূঢ় রহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যেই এই ওভিসিটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ীর তাত্ত্বিক লড়াই। গল্পের মূল নির্যাস হলো—ব্যবসায়িক যুদ্ধ জয়ের জন্য কেবল বিশাল লোকবল বা বড় বাজেটই যথেষ্ট নয়, বরং বাজার দখলের জন্য প্রয়োজন সুদূরপ্রসারী কৌশল বা বিজনেস স্ট্র্যাটেজি। ওভিসিটির সংলাপে উঠে এসেছে যে, শুধু তারকা উপস্থিতি দিয়ে বিক্রয় বাড়ানো সম্ভব নয়; বরং গ্রাহকের মনস্তত্ত্ব বুঝে পণ্যকে সাধারণ কোনো সেবা নয়, বরং তাদের সমস্যার ‘সমাধান’ হিসেবে উপস্থাপন করতে হয়।
কাজী কাদের নেওয়াজের গল্প ভাবনায় ওভিসিটি পরিচালনা করেছেন স্বরূপ চন্দ্র দে। এতে শিবা শানু ও আব্দুল্লাহ রানা ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিএম জয়, ম্যাক মুকুল, সিনথিয়া আহমেদ, খলনায়ক সানওয়ার, নাদিম ইসলাম এবং শাহেদ ইসলাম। আধুনিক বিপণন কৌশলের বিভিন্ন দিক এই নির্মাণে শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
কারিগরি দিক থেকেও ওভিসিটিতে মুন্সিয়ানার ছাপ রয়েছে। এর চিত্রগ্রহণে ছিলেন মহি শান্ত এবং আবহ সংগীত পরিচালনা করেছেন রুবেল ফ্লাইংকাইটস। সেট ডিজাইনে কামরুজ্জামান সুমন এবং পোশাক পরিকল্পনায় কাজ করেছে ‘আর্ট’। রূপসজ্জায় ছিলেন মহসিন আহমেদ। সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন নির্মাতা স্বরূপ চন্দ্র দে নিজেই। এছাড়া কালার গ্রেডিংয়ে এইচএম সোহেল এবং ভিএফএক্সে কাজ করেছেন বি সোমেন। প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্টে সজল আহমেদ, স্থিরচিত্রে মো. সামিউল ইসলাম এবং প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবু রায়হান।
ব্যবসায়িক প্রচারণায় গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ভিন্নধর্মী এই প্রয়াসটি উদ্যোক্তাদের সঠিক বিপণন কৌশল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 

























