আগামী অর্থবছরের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, এই পরিমাণ পর্যন্ত আয়কারী কোনো নাগরিককে আয়কর প্রদান করতে হবে না। তবে, নারী, সিনিয়র সিটিজেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই সীমার অতিরিক্ত সুবিধা বহাল থাকবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাঁর বাজেট বক্তৃতায় আগামী অর্থবছরের পাশাপাশি পরবর্তী পাঁচ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমার একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো করমুক্ত আয়সীমার পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রগতিশীল পরিকল্পনা।
অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে এই সীমা ২৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত হবে এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছাবে। এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করদাতাদের ভবিষ্যৎ কর পরিকল্পনা সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষ সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ৬৫ বছর ঊর্ধ্বে সিনিয়র সিটিজেন, তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতা, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাইযোদ্ধারা, যারা প্রত্যেকেই অতিরিক্ত করমুক্ত আয়সীমার সুবিধা পাবেন। এছাড়া, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকগণ প্রতিটি সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা করমুক্ত সুবিধা ভোগ করবেন।
নতুন কর কাঠামো অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পর পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, পরবর্তী ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট আয় বা ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার উপর ৩০ শতাংশ হারে আয়কর প্রযোজ্য হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















