ফুটবল মাঠে ভুল নতুন কিছু নয়, তবে কিছু ভুল খেলার ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনার জন্ম দেয়। এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে তৃতীয় স্তরের দল বার্নসলিকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে চতুর্থ রাউন্ডে জায়গা করে নিলেও, লিভারপুলের ক্ষেত্রে ঠিক এমনটাই ঘটেছে। দলের মিডফিল্ডার দমিনিক সোবোসলাইয়ের একটি অবিশ্বাস্য ভুল ম্যাচের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা লিভারপুলের দাপুটে জয়কেও ছাপিয়ে গেছে।
অ্যানফিল্ডে ম্যাচের ৪০তম মিনিটে নিজেদের বক্সের ভেতরে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। প্রতিপক্ষ বার্নসলির মিডফিল্ডার অ্যাডাম ফিলিপস যখন সোবোসলাইয়ের পিছু নিয়েছিলেন, তখনই বল পেয়ে নিজের গোলরক্ষককে ব্যাক হিল করে পাস দিতে চেয়েছিলেন লিভারপুলের এই তারকা। কিন্তু গোলরক্ষক খানিকটা দূরে থাকায় এবং ঠিক পেছনে ফিলিপস থাকায় সোবোসলাইয়ের ব্যাক হিল প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বলের দখল হারিয়ে ফেলেন তিনি, আর সেই সুযোগে ফিলিপস বল পেয়ে যান। সহজ সুযোগ পেয়ে বল জালে জড়িয়ে বার্নসলির হয়ে গোল আদায় করে নেন ফিলিপস। সোবোসলাইয়ের এই শিশুসুলভ ভুল রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে ফুটবল মহলে।
ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট শিষ্য সোবোসলাইয়ের ভুল নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এফএ কাপ, লিগ কাপ, প্রীতি ম্যাচ কিংবা অনুশীলনেও এমন ভুল করা উচিত নয়। এটি একটি অদ্ভুত সিদ্ধান্ত, এবং এ বিষয়ে আমার নিজস্ব মতামত আছে; কিন্তু সেটা আমি নিজের মধ্যেই রাখতে চাই।’ কোচের এমন মন্তব্যে সোবোসলাইয়ের ভুলের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
তবে সোবোসলাইয়ের এই ভুলের আগে থেকেই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেলছিল লিভারপুল। ম্যাচের নবম মিনিটেই দমিনিক সোবোসলাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। লড়াইয়ের ৩৬ মিনিটে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জেরেমি প্রিমপং। এর চার মিনিট বাদেই সোবোসলাইয়ের ভুলে গোল হজম করে বসে দ্য রেড শিবির। কিন্তু এরপরও লিভারপুলের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার ছয় মিনিট আগে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন ফ্লোরিয়ান উইর্টজ। আর ইনজুরি টাইমে (৯০+৪ মিনিটে) হুগো একিতিকের গোলে লিভারপুলের ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























