সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার শেষ বলের শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াইয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ২ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। লো-স্কোরিং থ্রিলারে দলের জয়ের নায়ক হাসান নওয়াজ, যিনি অপরাজিত ৩৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন। তার ৩৬ বলের এই ইনিংসে ছিল মাত্র দুটি চারের মার।
১২৯ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা ভালো ছিল না চট্টগ্রামের। প্রথম পাঁচ ওভারেই ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল দলটি। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন হাসান নওয়াজ। প্রথমে অধিনায়ক মেহেদী হাসানের (২৫ বলে ২৮) সাথে ৪০ রানের জুটি গড়েন। এরপর পাকিস্তানি সতীর্থ আসিফ আলির (২৫ বলে ২৭) সাথে আরও ৩৫ রান যোগ করে জয়ের ভিত গড়েন।
ম্যাচ জমে ওঠে ১৯তম ওভারে। রাজশাহীর পেসার তানজিম হাসান সাকিব দুর্দান্ত বোলিং করে মাত্র ৩ রান দেন এবং আবু হায়দারকে সাজঘরে ফেরান। তাতে শেষ ওভারে চট্টগ্রামের জয়ের জন্য প্রয়োজন দাঁড়ায় ১০ রান।
নিয়মিত বোলারদের কোটা শেষ হওয়ায় বল হাতে আসেন অফস্পিনার এস এম মেহেরব হাসান, যিনি এর আগে ১৫ রানে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। নওয়াজ তার প্রথম তিন বলেই বাউন্ডারিসহ ৮ রান তুলে নেন, সমীকরণ নেমে আসে ৩ বলে ২ রানে। এরপর টানা দুটি ডট বল করে মেহেরব উত্তেজনা বাড়ালেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ বলে লং-অফের দিকে ঠেলে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন নওয়াজ, নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের নাটকীয় জয়।
রাজশাহীর পক্ষে বল হাতে সেরা ছিলেন বিনুরা ফার্নান্দো, ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা দলটি ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১২৮ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে মুহাম্মদ ওয়াসিম ও মেহেরব হাসানের ব্যাট থেকে।
চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন আমের জামাল, ২৩ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম প্রত্যেকেই নেন দুটি করে উইকেট।
এই জয়ে ৭ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখল চট্টগ্রাম রয়্যালস। অন্যদিকে ৬ ম্যাচে ৪ জয়ে চতুর্থ স্থানেই রইল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
রিপোর্টারের নাম 

























