ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

এরশাদের আমলে কাউকে বেআইনিভাবে আটক করিনি: ট্রাইব্যুনালে আযমী

সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে কাউকে বেআইনিভাবে আটক করে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুল্লাহিল আমান আযমী। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জেরা চলাকালে তিনি এই দাবি করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা তথাকথিত ‘আয়নাঘরে’ গুমের ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে জেরা করা হয়।

জেরার একপর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণী টিটো প্রশ্ন করেন, এরশাদের মার্শাল ল বা সামরিক শাসনের সময় আপনি অনেক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বন্দি করে রেখেছিলেন কি না। জবাবে আযমী বলেন, এই দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি আরও জানান, তৎকালীন সময়ে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকে কেন তার তত্ত্বাবধানে বন্দি রাখা হয়েছিল, সেটি তার জানা ছিল না। তিনি তখন সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত একজন জুনিয়র অফিসার ছিলেন এবং সামরিক শাসনের অধীনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের বাইরে প্রশ্ন করার সুযোগ তার ছিল না।

এই মামলায় মোট ১৩ জন আসামির মধ্যে ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১০ জন পলাতক, যাদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীও রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল আজ কারাগারে থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বটবাহিনী দিয়ে রাজনীতি হয় না, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে হয়: শামা ওবায়েদ

এরশাদের আমলে কাউকে বেআইনিভাবে আটক করিনি: ট্রাইব্যুনালে আযমী

আপডেট সময় : ০৮:১১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে কাউকে বেআইনিভাবে আটক করে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুল্লাহিল আমান আযমী। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জেরা চলাকালে তিনি এই দাবি করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা তথাকথিত ‘আয়নাঘরে’ গুমের ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে জেরা করা হয়।

জেরার একপর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণী টিটো প্রশ্ন করেন, এরশাদের মার্শাল ল বা সামরিক শাসনের সময় আপনি অনেক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বন্দি করে রেখেছিলেন কি না। জবাবে আযমী বলেন, এই দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি আরও জানান, তৎকালীন সময়ে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকে কেন তার তত্ত্বাবধানে বন্দি রাখা হয়েছিল, সেটি তার জানা ছিল না। তিনি তখন সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত একজন জুনিয়র অফিসার ছিলেন এবং সামরিক শাসনের অধীনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের বাইরে প্রশ্ন করার সুযোগ তার ছিল না।

এই মামলায় মোট ১৩ জন আসামির মধ্যে ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১০ জন পলাতক, যাদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীও রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল আজ কারাগারে থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।