দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহের পর এবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত এবং ভূমিধ্বসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সমুদ্রবন্দর ও অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন, আগামী ৩ মে পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও ঝড় বেশি হতে পারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে ভোলায় ১৫২ মিলিমিটার। এছাড়াও, ফেনি, শ্রীমঙ্গল, কুমিল্লা, খেপুপাড়া, নিকলি, সিলেট, পটুয়াখালী এবং বরিশালেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে তাকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে গণ্য করা হয়। এদিন দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যশোরে ৩৫ দশমিক ৪ এবং রাজধানীতে ২৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে বিদ্যুৎ চমকানোসহ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগেই কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে কিছু এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতা এবং চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধ্বসের আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে সমুদ্র কিছুটা উত্তাল রয়েছে এবং ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















