সীমানা সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উচ্চ আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে এই দুই আসনের ভোট কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদালতের পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচনের আর কোনো কার্যক্রম চলবে না। আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কমিশন ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশে একটি গণভোটও আয়োজিত হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদের জন্য সাদা রঙের এবং গণভোটের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হবে।
বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়া চলছে, যা আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। আপিল নিষ্পত্তি শেষে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি।
আগামী ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। তবে পাবনার দুটি আসনে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এই কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকছে।
রিপোর্টারের নাম 

























