যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। হোয়াইট হাউস সূত্র মতে, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ও তার দল এই লক্ষ্য অর্জনে সব ধরনের বিকল্প খতিয়ে দেখছেন। প্রয়োজনে মার্কিন সেনাবাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও তাদের আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের পর ডেনমার্কের পক্ষে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনসহ ছয়টি দেশ যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ এবং ডেনমার্কেরই আছে।
অন্যদিকে, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সম্মানজনক আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, আন্তর্জাতিক আইন ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েই এই আলোচনা হওয়া উচিত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আর্কটিক অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যপথের সম্ভাবনা এবং বিরল খনিজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। এতে রাশিয়া ও চীনও আগ্রহ দেখাচ্ছে। ৫৭ হাজার মানুষের এই দ্বীপটির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ নতুন নয়, তবে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর এগোবে এবং ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে। এসব প্রশ্নের উত্তর সময়ই বলে দেবে।
রিপোর্টারের নাম 
























