ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নোবেল ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব ভেনেজুয়েলার নেত্রী মাচাদোর** **

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

** ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিজের অর্জিত নোবেল শান্তি পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান তিনি। গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।

গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয় করেন মাচাদো। যদিও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পাওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা মাচাদোর ঝুলিতেই যায়। নরওয়ের অসলোতে গিয়ে পুরস্কারটি গ্রহণের সময় তিনি নিজ দেশে রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকলেও গোপনে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাচাদোর নোবেল প্রাপ্তিতে ট্রাম্প বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এমনকি হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এই পুরস্কার গ্রহণ করাকেই মাচাদোর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় ভুল বা ‘পাপ’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মাচাদো যদি নোবেলটি গ্রহণ না করে ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করতেন, তবে আজ তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন।

সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, “আমি ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে এটি বলতে চাই যে, ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা বিশ্বাস করে এই পুরস্কারটি তাদের। আর আমরা অবশ্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এটি ভাগ করে নিতে চাই।”

সম্প্রতি মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের বিশেষ অভিযানে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। মাচাদো রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করলেও ট্রাম্প তাতে বাদ সেধেছেন। ট্রাম্পের দাবি, মাচাদোর দেশ শাসনের যোগ্যতা নেই এবং জনগণের মাঝে তার যথেষ্ট শ্রদ্ধা বা গ্রহণযোগ্যতাও নেই।

২০২৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলের বিজয়ে মাচাদো নেতৃত্ব দিলেও ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থানে তিনি এবং তার সমর্থকরা বেশ মর্মাহত হয়েছেন বলে মাচাদোর ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে। মূলত ট্রাম্পের মন পেতেই মাচাদো এখন নোবেল ভাগ করে নেওয়ার এই প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসের বিদায় ও নতুন সরকারের আগমনে ভারতের স্বস্তি এবং প্রত্যাশার দোলাচল

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নোবেল ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব ভেনেজুয়েলার নেত্রী মাচাদোর** **

আপডেট সময় : ১১:১৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

** ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিজের অর্জিত নোবেল শান্তি পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান তিনি। গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।

গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয় করেন মাচাদো। যদিও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পাওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা মাচাদোর ঝুলিতেই যায়। নরওয়ের অসলোতে গিয়ে পুরস্কারটি গ্রহণের সময় তিনি নিজ দেশে রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকলেও গোপনে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাচাদোর নোবেল প্রাপ্তিতে ট্রাম্প বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এমনকি হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এই পুরস্কার গ্রহণ করাকেই মাচাদোর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় ভুল বা ‘পাপ’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মাচাদো যদি নোবেলটি গ্রহণ না করে ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করতেন, তবে আজ তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন।

সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, “আমি ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে এটি বলতে চাই যে, ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা বিশ্বাস করে এই পুরস্কারটি তাদের। আর আমরা অবশ্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এটি ভাগ করে নিতে চাই।”

সম্প্রতি মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের বিশেষ অভিযানে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। মাচাদো রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করলেও ট্রাম্প তাতে বাদ সেধেছেন। ট্রাম্পের দাবি, মাচাদোর দেশ শাসনের যোগ্যতা নেই এবং জনগণের মাঝে তার যথেষ্ট শ্রদ্ধা বা গ্রহণযোগ্যতাও নেই।

২০২৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলের বিজয়ে মাচাদো নেতৃত্ব দিলেও ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থানে তিনি এবং তার সমর্থকরা বেশ মর্মাহত হয়েছেন বলে মাচাদোর ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে। মূলত ট্রাম্পের মন পেতেই মাচাদো এখন নোবেল ভাগ করে নেওয়ার এই প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।