ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের নেতা মো. জোবায়েদ হোসেনের হত্যাকাণ্ডের রহস্য অবশেষে উন্মোচন করেছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় ডিসি জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জোবায়েদ হত্যার রহস্য ডিএমপি উন্মোচন করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করবেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
এদিকে জোবায়েদ হত্যাকাণ্ডে প্রধান সন্দেহভাজন মাহির রহমানসহ মোট তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেই তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী রাত সাড়ে ১২টায় বাংলানিউজকে জানান, জোবায়েদ হত্যার মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহত শিক্ষার্থীর আত্মীয়-স্বজনরা দাফন শেষ করে থানায় এলেই মামলা রেকর্ড করা হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন, এই ঘটনায় মাহিরসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং নিহত ছাত্রীর ছাত্রী বর্ষাও এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ সূত্র আরও জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ত্রিমুখী প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, আটক মাহির রহমানের সঙ্গে জোবায়েদের ছাত্রী বর্ষার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মাহির রহমান একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং বর্ষা ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে তা ভেঙে যায়। এরপর বর্ষা যখন জোবায়েদকে পছন্দ করার বিষয়টি মাহিরকে জানান, তখন এর জেরেই মাহির তার বন্ধুদের নিয়ে জোবায়েদকে খুন করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 














