জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের পেশা ও মর্যাদা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। একটি লাইভ টকশোতে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা (বর্তমানে তদন্তাধীন) নিয়ে আলোচনার সময় তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে “অশালীন, অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ” ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে দাবি করেছেন দেশের বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন।
মঙ্গলবার ও বুধবার পৃথক পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনগুলো এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে। তাদের অভিযোগ, গত ৭ জুন একটি ইউটিউবভিত্তিক আলোচনায় মাসুদ কামাল চিকিৎসকদের নিয়ে এমন ভাষা ব্যবহার করেন যা চিকিৎসক সমাজের প্রতি অবমাননাকর।
সরকার সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মাসুদ কামালের মন্তব্য অগ্রহণযোগ্য। সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান ও মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ), ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স (এনএইচএ), বিসিএস হেলথ ফোরাম, ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস, অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি) এবং বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনও পৃথক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা মনে করে, সমালোচনার নামে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার সমাজে বিভাজন তৈরি করে এবং তা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
ওজিএসবির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম সাংবাদিক মাসুদ কামালকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল আব্দুস শাকুর খানও এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















