ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরের আগুনে ক্ষতিপূরণের কী হবে? ব্যবসায়ীরা বলছেন ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে লাগা আগুনে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ ওষুধের কাঁচামালও পুড়ে গেছে। যদিও আসলে ক্ষতির পরিমাণ কত, তা এখনও তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে।

এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইএবি), যা বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ-সহ সকল রপ্তানিমুখী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত, তারা এই বিশাল অঙ্কের ক্ষতির দাবি করেছে। ইএবি বলছে, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে বন্দরে পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, ঔষধ শিল্প সমিতি জানিয়েছে যে, শনিবারের এই আগুনে তাদের ৩২টি কোম্পানির এখন পর্যন্ত ২০০ কোটি টাকার বেশি কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তারা আশঙ্কা করছে যে, পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেলে ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেড়ে যেতে পারে।

এসব বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরেও আরও ছোট-বড় অনেক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরিমাণ পণ্য পুড়ে গেছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীরা ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না, অথবা কে এই ক্ষতিপূরণ দেবে—সে বিষয়ে এখনও কারও কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর ২০ বছরের প্রস্তাব ইরানের: দাবি ট্রাম্পের

শাহজালাল বিমানবন্দরের আগুনে ক্ষতিপূরণের কী হবে? ব্যবসায়ীরা বলছেন ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে লাগা আগুনে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ ওষুধের কাঁচামালও পুড়ে গেছে। যদিও আসলে ক্ষতির পরিমাণ কত, তা এখনও তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে।

এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইএবি), যা বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ-সহ সকল রপ্তানিমুখী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত, তারা এই বিশাল অঙ্কের ক্ষতির দাবি করেছে। ইএবি বলছে, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে বন্দরে পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, ঔষধ শিল্প সমিতি জানিয়েছে যে, শনিবারের এই আগুনে তাদের ৩২টি কোম্পানির এখন পর্যন্ত ২০০ কোটি টাকার বেশি কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তারা আশঙ্কা করছে যে, পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেলে ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেড়ে যেতে পারে।

এসব বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরেও আরও ছোট-বড় অনেক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরিমাণ পণ্য পুড়ে গেছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীরা ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না, অথবা কে এই ক্ষতিপূরণ দেবে—সে বিষয়ে এখনও কারও কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই।