অ্যানাকোন্ডার নাম শুনলেই ভয়ে গা শিউরে ওঠে মানুষের। ভয়ঙ্কর বিষধর এই বিশালাকার সাপকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘অ্যানাকোন্ডা’ সিরিজের ছবিগুলো যারা দেখেছেন তারা জানেন এটি কি করতে পারে।
নতুন করে যারা দেখতে চান তাদের জন্য সুযোগ আসছে শিগগিরই। ২৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে নতুন ‘অ্যানাকোন্ডা’।
অন্যদিকে, অ্যানিমেশন সিনেমার ভক্তদের জন্যও আছে সুখবর। ‘দ্য স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টস’ সিরিজের নতুন সিনেমা ‘দ্য স্পঞ্জবব মুভি: সার্চ ফর স্কয়ারপ্যান্টস’ এসেছে পর্দায়।
সিনেমা দু’টি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে ২৬ ডিসেম্বর। খবরটি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
অ্যানাকোন্ডা
১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার হরর সিনেমা ‘অ্যানাকোন্ডা’ বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছিল। এবারের সিনেমাটি ১৯৯৭ সালের মূল সিনেমার সরাসরি রিমেক নয়, এটি একটি মেটা-রিবুট কমেডি-থ্রিলার হিসেবে নির্মিত হয়েছে। গল্পের মূল চরিত্র ডগ এবং গ্রিফ তাদের জীবনের মিডলাইফ ক্রাইসিস কাটিয়ে উঠতে চায়। তারা সিদ্ধান্ত নেয় তাদের শৈশবের প্রিয় সিনেমা অ্যানাকোন্ডা পুনরায় বানাতে যাবে। ছোট বাজেটের একটি সিনেমা বানানোর জন্য অ্যামাজন জঙ্গলে যাত্রা শুরু করে তারা। কিন্তু শুটিং শুরু হওয়ার পর তাদের সামনে আসে অন্যরকম এক সংকট।
আবহাওয়া এবং পরিবেশগত সমস্যার সঙ্গে লড়াইতো আছেই তার ওপরে একটি বাস্তব জীবনের বিশাল এক অ্যানাকোন্ডা হাজির হয়। এই বিপজ্জনক জঙ্গলে তাদের হাসি-আনন্দের পরিস্থিতি দ্রুত প্রাণঘাতী বাস্তবে পরিণত হয়। সাপের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকাটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়ে তাদের জন্য।
সম্প্রতি সিনেমাটির একটি প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা দেখেছেন তাদের মধ্য থেকে অনেকে মিশ্র অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। প্রারম্ভিক প্রতিক্রিয়ায় অনেকে বলতে চাইছেন এটি বড়দিনের ছুটির মৌসুমে মজার একটি পপকর্ন সিনেমা।
দ্য স্পঞ্জবব মুভি: সার্চ ফর স্কয়ারপ্যান্টস
‘দ্য স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টস’ একটি জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড সিরিজ ও চরিত্র, যা একটি হলুদ স্পঞ্জ-সদৃশ প্রাণীর মজার কাণ্ডকারখানা নিয়ে তৈরি। সে বিকিনি বটম শহরে তার পোষা শামুক গ্যারির সাথে একটি আনারসের মধ্যে থাকে এবং ক্রাস্টি ক্র্যাবে কাজ করে। ‘দ্য স্পঞ্জবব মুভি: সার্চ ফর স্কয়ারপ্যান্টস’ ২০২০ সালের ‘স্পঞ্জ অন দ্য রান’-এর পরে সিরিজের ওপর ভিত্তি করে চতুর্থ থিয়েটার চলচ্চিত্র। এই সিনেমায় সে ফ্লাইং ডাচম্যানের মুখোমুখি হয় এবং সমুদ্রের গভীরে অ্যাডভেঞ্চার করে। স্পঞ্জববকে তার হারিয়ে যাওয়া পোষা প্রাণী গ্যারির সন্ধানে সমুদ্রের গভীরে এক মহাকাশযানে যেতে হয়, যেখানে সে ফ্লাইং ডাচম্যানের মতো ভিলেনদের মোকাবিলা করে।
১৯ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের আশানুরূপ সাড়া পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় ৩,৫৫৭টি থিয়েটারে মুক্তি পায়। প্রথম দিনে ৫.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে সিনেমাটি।
রিপোর্টারের নাম 

























