শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশে চলমান সাম্প্রতিক সহিংসতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। একই সাথে হাদির ‘ইনসাফের বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে ‘নিয়মতান্ত্রিক ও ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।
শুক্রবার রাত ১১ টা ৩০ এ পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় ডাকসু।
বিবৃতি অনুযায়ী, ‘শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাতকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবীরের ওপর হামলার ঘটনায় ডাকসু তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।”
একই সাথে ডাকসু বিভিন্ন হাইকমিশন কার্যালয়, ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
‘ধর্ম অবমাননার বিচার আইন ও আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
হাদির শাহাদাতে ডাকসু গভীর শোক ও বেদনা প্রকাশ করছে। হাদির স্বপ্ন ছিল মেধা-মনন ও জ্ঞানের শক্তিতে ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। তাঁর স্বপ্নের ‘ইনসাফের বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে নিয়মতান্ত্রিক ও ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া হাদির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত এবং ‘সন্ত্রাসী আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের’ মূলোৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে থাকার আহ্বান জানায় ডাকসু ।
‘কোনও ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী যেন স্যাবোটাজ, সহিংসতা বা উসকানির মাধ্যমে ন্যায়বিচারের আন্দোলনকে কলুষিত করতে না পারে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে দৃঢ়, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতেও আহবান জানায় ডাকসু।
‘দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের কোনও বিকল্প নেই। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সকল সচেতন নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’
রিপোর্টারের নাম 

























