যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে গত সপ্তাহে বন্দুক হামলার প্রধান সন্দেহভাজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক অ্যাটর্নি। কর্তৃপক্ষ এখন খতিয়ে দেখছে, একই ব্যক্তি ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) এক অধ্যাপককে হত্যায় জড়িত কিনা।
বোস্টনে মার্কিন অ্যাটর্নি লিয়া ফোলির মুখপাত্র ক্রিস্টিনা স্টার্লিং জানিয়েছেন, ব্রাউন হামলার সন্দেহভাজন আর জীবিত নেই। আরও দুই ফেডারেল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ধারণা করা হচ্ছে, বোস্টনের উত্তরে নিউ হ্যাম্পশায়ারের সেলেমে একটি স্টোরেজ ইউনিট থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় তৎপরতা দেখা যায়।
বিচার বিভাগীয় এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সন্দেহভাজন নিজেই নিজের প্রাণ নিয়েছেন। তবে তিনি নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেননি, কিংবা তদন্তকারীরা ঘটনার যোগসূত্র ব্যাখ্যা করেননি।
ব্রাউন ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে শনিবারের হামলার পর পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। হামলায় দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। প্রভিডেন্সের মেয়র ব্রেট স্মাইলি বলেন, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা হামলাকারীর গ্রেফতারের খবর শোনার অপেক্ষায় অধীর ছিলেন।
এদিকে, সোমবার বোস্টনের নিকটবর্তী ব্রুকলাইনে এমআইটির অধ্যাপক নুনো লোরেইরো নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তিনি নিউক্লিয়ার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং ও পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে এমআইটির প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টারে যুক্ত ছিলেন। শুরুতে এফবিআই জানিয়েছিল দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই বলে তাদের ধারণা।
তদন্তকারীরা জানান, ব্রাউন ক্যাম্পাসের ঘটনায় সন্দেহভাজন পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। ক্যাম্পাস ভবন ও আশপাশে ক্যামেরা স্বল্পতার কারণে অনুসন্ধানে বাসাবাড়ির নিরাপত্তা ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পুলিশ এক মুখোশধারী ব্যক্তির ভিডিও প্রকাশ করে পরিচয় চেয়েছিল, যাকে সম্ভাব্য হামলাকারী বলে ধারণা করছিলেন বেঁচে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এছাড়া, সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরেক অজ্ঞাত ব্যক্তির ছবিও প্রকাশ করেছে পুলিশ। ঘটনার পরদিন একজনকে আটক করা হলেও পরে তদন্তে অসঙ্গতি পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্টারের নাম 





















