ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

৩৫ বাংলাদেশি জেলেকে গ্রেফতার করেছে ভারত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গত ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ৩৫ জন জেলেসহ দুটি মাছ ধরার ট্রলার আটক করেছে ভারতীয় কোস্ট গার্ড। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘সাবিনা–১’ এবং ‘রুপাচি সুলতানা’ নামের ওই দুই বাংলাদেশি ট্রলারকে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘোরাঘুরি করতে দেখে আটক করা হয়েছে।

ভারতের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ‘সাবিনা–১’ ট্রলারে মোট ১১ জন এবং ‘রুপাচি সুলতানা’ ট্রলারে ২৪ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন।

আটক ট্রলার দুটিকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফ্রেজারগঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে পৌঁছানোর পর উপকূলীয় থানার পুলিশের হাতে ট্রলার ও মৎস্যজীবীদের তুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য গত নভেম্বরে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশের ২৯ জন মৎস্যজীবীসহ আটক করা হয় ‘এফবি আমিনা গণি’ নামক একটি ট্রলার। তাদেরও ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিরা কক্সবাজারের বাসিন্দা বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

৩৫ বাংলাদেশি জেলেকে গ্রেফতার করেছে ভারত

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গত ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ৩৫ জন জেলেসহ দুটি মাছ ধরার ট্রলার আটক করেছে ভারতীয় কোস্ট গার্ড। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘সাবিনা–১’ এবং ‘রুপাচি সুলতানা’ নামের ওই দুই বাংলাদেশি ট্রলারকে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘোরাঘুরি করতে দেখে আটক করা হয়েছে।

ভারতের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ‘সাবিনা–১’ ট্রলারে মোট ১১ জন এবং ‘রুপাচি সুলতানা’ ট্রলারে ২৪ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন।

আটক ট্রলার দুটিকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফ্রেজারগঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে পৌঁছানোর পর উপকূলীয় থানার পুলিশের হাতে ট্রলার ও মৎস্যজীবীদের তুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য গত নভেম্বরে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশের ২৯ জন মৎস্যজীবীসহ আটক করা হয় ‘এফবি আমিনা গণি’ নামক একটি ট্রলার। তাদেরও ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিরা কক্সবাজারের বাসিন্দা বলে জানিয়েছিল পুলিশ।