দিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে বৈধ সনদ ছাড়া দেওয়া হচ্ছে না গাড়ির জ্বালানি। বায়ুদূষণ রোধে সরকারের তরফ থেকে কঠোর বিধিনিষেধ জারির ঘোষণার দুদিনের মধ্যেই তা প্রয়োগ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
ভারতের রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলো একদিকে যেমন বৈধ পিইউসিসি (পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল সার্টিফিকেট বা দূষণ সীমার মধ্যে আছে মর্মে সনদ) ছাড়া জ্বালানি দিচ্ছে না, অন্যদিকে দিল্লিতে বিএস-৬ এর নিচের জ্বালানি ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত গাড়ি প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, বিএস বা ভারাত স্ট্র্যান্ডার্ড হচ্ছে দেশটিতে জ্বালানি থেকে উদ্ভূত দূষণ নিয়ন্ত্রণের একটি মানদণ্ড। এ মানদণ্ড অনুযায়ী, বিএস-৬ কে তুলনামূলক কম দূষণ সৃষ্টিকারী জ্বালানি এবং এর নিচের, যেমন বিএস-৪ ক্যাটাগরির জ্বালানিতে অন্তত পাঁচগুণ বেশি দূষণ হয় বলে দেখা গেছে।
দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মঞ্জিন্দর সিং সিরসা এর আগে জানান, ১৮ ডিসেম্বর থেকে হালনাগাদকৃত বৈধ পিইউসিসি না থাকলে কোনও যানবাহনকে পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি দেওয়া হবে না। আইন কার্যকরের বিষয়টি ক্যামেরা–নির্ভর প্রযুক্তিতে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
দিল্লিতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে মারাত্মক বায়ুদূষণের মধ্যে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো সরকার। নিয়মটি বাস্তবায়নে দিল্লি পুলিশের সহায়তার পাশাপাশি ব্যবহার হচ্ছে অটোমেটিক নাম্বার প্লেট শনাক্তকরণ (এএনপিআর) ক্যামেরা, ভয়েস অ্যালার্ট ব্যবস্থা।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২৬টি চেকপয়েন্টে—বিশেষ করে রাজধানীর প্রবেশপথে—মোট ৫৮০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মের ব্যত্যয় হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পরিবহন বিভাগের দল পেট্রোল পাম্প ও সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছে।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভারত সরকারের বিধিনিষেধের সর্বোচ্চ পর্যায়, গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের সর্বোচ্চ ও চতুর্থ ধাপ কার্যকর থাকায়, রাজধানীতে নির্মাণসামগ্রীবাহী যানবাহনের প্রবেশও নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।
তবে সিএনজি ও বৈদ্যুতিক যান, গণপরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক এবং জরুরি সেবার যানবাহন বিএস-৬ নিষেধাজ্ঞা তালিকার আওতামুক্ত।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
রিপোর্টারের নাম 





















