ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

তাইওয়ানের জন্য মার্কিন অস্ত্রের বৃহত্তম চালান অনুমোদন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

তাইওয়ানের কাছে এ যাবৎকালের বৃহত্তম সামরিক অস্ত্রের চালান বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের (১৭ ডিসেম্বর) ঘোষণা অনুযায়ী, ওই প্যাকেজের আকার ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রির আওতায় রয়েছে হিমারস রকেট সিস্টেম, হাউইটজার, সাঁজোয়া যান বিধ্বংসী জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র, আলটিয়ান লয়টারিং মিউনিশন ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। প্যাকেজটি এখন কংগ্রেসে নোটিফিকেশনের পর্যায়ে—যেখানে কংগ্রেস চাইলে বিক্রি আটকে দিতে বা পরিবর্তন করতে পারে। তবে তাইওয়ানের প্রতি দ্বিদলীয় সমর্থন ব্যাপক।

বর্তমান প্রশাসনের অধীনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে তাইওয়ানের জন্য এটি দ্বিতীয় দফায় অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধির মধ্যেই এই ঘোষণা সামনে এলো।

অস্ত্র বিক্রির ঘোষণার মাত্র সপ্তাহখানেক আগে তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং প্রায় নিভৃতেই ওয়াশিংটন সফরে গিয়েছিলেন বলে নাম প্রকাশে দুই কর্মী রয়টার্সকে জানিয়েছেন। কথিত ওই বৈঠকের অ্যাজেন্ডা রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি এবং তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

অস্ত্রবিক্রির ঘোষণার বিষয়ে তাইওয়ানের বিবৃতিতে বলা হয়, তাইওয়ানের পর্যাপ্ত আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বজায় রাখা, দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা এবং অসম যুদ্ধের সুবিধা কাজে লাগাতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ভিত্তি।

পেন্টাগন একাধিক পৃথক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ’ এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় রাখার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে সর্বশেষ অস্ত্রের চালান। এটি মার্কিন জাতীয়, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থও রক্ষা করবে।

মার্কিন পরামর্শে তাইওয়ান ‘‘অসম যুদ্ধ’’ উপযোগী বাহিনী গড়ে তুলছে—যার লক্ষ্য ছোট, ভ্রাম্যমাণ ও তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল কিন্তু লক্ষ্যভেদী অস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম, ড্রোন বাহিনী গড়ে তোলা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক শহিদুল

তাইওয়ানের জন্য মার্কিন অস্ত্রের বৃহত্তম চালান অনুমোদন

আপডেট সময় : ১১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

তাইওয়ানের কাছে এ যাবৎকালের বৃহত্তম সামরিক অস্ত্রের চালান বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের (১৭ ডিসেম্বর) ঘোষণা অনুযায়ী, ওই প্যাকেজের আকার ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রির আওতায় রয়েছে হিমারস রকেট সিস্টেম, হাউইটজার, সাঁজোয়া যান বিধ্বংসী জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র, আলটিয়ান লয়টারিং মিউনিশন ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। প্যাকেজটি এখন কংগ্রেসে নোটিফিকেশনের পর্যায়ে—যেখানে কংগ্রেস চাইলে বিক্রি আটকে দিতে বা পরিবর্তন করতে পারে। তবে তাইওয়ানের প্রতি দ্বিদলীয় সমর্থন ব্যাপক।

বর্তমান প্রশাসনের অধীনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে তাইওয়ানের জন্য এটি দ্বিতীয় দফায় অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধির মধ্যেই এই ঘোষণা সামনে এলো।

অস্ত্র বিক্রির ঘোষণার মাত্র সপ্তাহখানেক আগে তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং প্রায় নিভৃতেই ওয়াশিংটন সফরে গিয়েছিলেন বলে নাম প্রকাশে দুই কর্মী রয়টার্সকে জানিয়েছেন। কথিত ওই বৈঠকের অ্যাজেন্ডা রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি এবং তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

অস্ত্রবিক্রির ঘোষণার বিষয়ে তাইওয়ানের বিবৃতিতে বলা হয়, তাইওয়ানের পর্যাপ্ত আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বজায় রাখা, দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা এবং অসম যুদ্ধের সুবিধা কাজে লাগাতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ভিত্তি।

পেন্টাগন একাধিক পৃথক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ’ এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় রাখার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে সর্বশেষ অস্ত্রের চালান। এটি মার্কিন জাতীয়, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থও রক্ষা করবে।

মার্কিন পরামর্শে তাইওয়ান ‘‘অসম যুদ্ধ’’ উপযোগী বাহিনী গড়ে তুলছে—যার লক্ষ্য ছোট, ভ্রাম্যমাণ ও তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল কিন্তু লক্ষ্যভেদী অস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম, ড্রোন বাহিনী গড়ে তোলা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: রয়টার্স