ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত ১২ই মে এক প্রজ্ঞাপনে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই পরিস্থিতিতে দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আলোচনা হলেও সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঢাকার তরফে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আওয়ামী লীগের সদস্যরা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। যাদের ইমেজ অপেক্ষাকৃত ক্লিন, তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। তবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কিংবা যারা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের এমন কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকেও আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছিল এবং সরকার তাদের একই জবাব দিয়েছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীদের নিয়ে সংগঠিত হতে চেয়েছিল দলটির একটি অংশ, কিন্তু শেখ হাসিনা তাতে মত দেননি। তিনি বিশ্বাস করেন যে লড়াই করে ফের দলকে সংগঠিত করতে সক্ষম হবেন।

পাঠকের মতামত অংশে বলা হয়েছে যে, স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত, ধর্ষিত এবং অংশগ্রহণকারীদের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায়নি, যদিও এই সময়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল না। এই অংশে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে, স্বাধীনতা বিরোধী দল নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগ কেন পারবে না, তবে অন্য একটি মতামতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের নেতাদের বিচার হলেও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর গত আওয়ামী সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে এমন অপরাধ, অপশাসন, লুণ্ঠন ও দেশ বিরোধী নীতি কখনও হয়নি। তাই এই দল ও এর নেতা-নেত্রীদের বিচার না করে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করা ঠিক নয় বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি ও নির্বাচন অবশ্যই করবে, তবে তা বিচার হওয়ার পরে, সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচনে না হলে পরের কিংবা আরো পরের নির্বাচনে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন: পাম্পে পাম্পে হাহাকার ও দীর্ঘ প্রতীক্ষা

ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত ১২ই মে এক প্রজ্ঞাপনে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই পরিস্থিতিতে দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আলোচনা হলেও সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঢাকার তরফে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আওয়ামী লীগের সদস্যরা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। যাদের ইমেজ অপেক্ষাকৃত ক্লিন, তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। তবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কিংবা যারা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের এমন কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকেও আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছিল এবং সরকার তাদের একই জবাব দিয়েছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীদের নিয়ে সংগঠিত হতে চেয়েছিল দলটির একটি অংশ, কিন্তু শেখ হাসিনা তাতে মত দেননি। তিনি বিশ্বাস করেন যে লড়াই করে ফের দলকে সংগঠিত করতে সক্ষম হবেন।

পাঠকের মতামত অংশে বলা হয়েছে যে, স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত, ধর্ষিত এবং অংশগ্রহণকারীদের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায়নি, যদিও এই সময়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল না। এই অংশে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে, স্বাধীনতা বিরোধী দল নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগ কেন পারবে না, তবে অন্য একটি মতামতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের নেতাদের বিচার হলেও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর গত আওয়ামী সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে এমন অপরাধ, অপশাসন, লুণ্ঠন ও দেশ বিরোধী নীতি কখনও হয়নি। তাই এই দল ও এর নেতা-নেত্রীদের বিচার না করে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করা ঠিক নয় বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি ও নির্বাচন অবশ্যই করবে, তবে তা বিচার হওয়ার পরে, সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচনে না হলে পরের কিংবা আরো পরের নির্বাচনে।