ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইউরোপীয় পাসপোর্টধারী এক দ্বৈত নাগরিকের বিচার শুরু করেছে ইরান। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দেশটির আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম এ খবর জানিয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে “ইসরায়েলের পক্ষে গোয়েন্দা সহযোগিতা ও গুপ্তচরবৃত্তির” অভিযোগ আনা হয়েছে।
আলবোরজ প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলার জেরে শুরু হওয়া কথিত ১২ দিনের যুদ্ধের মাসখানেক আগে দেশটিতে প্রবেশ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। সংঘাত শুরুর চারদিন পর তাকে রেভল্যুশনারি গার্ড আটক করে।
তিনি আরও বলেন, কারাজ শহরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ভিলায় তল্লাশি চালিয়ে “উন্নতমানের গুপ্তচর সামগ্রী ও গোয়েন্দা সরঞ্জাম” উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে “স্রষ্টার বিরুদ্ধে যুদ্ধ” ও “পৃথিবীতে দুর্নীতি ছড়ানো”র অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইরানে এগুলো সাধারণত মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ওই ব্যক্তির পরিচয় এখন পর্যন্ত কোথাও প্রকাশ করা হয়নি।
বিগত বছরগুলোতে গুপ্তচরবৃত্তি ও নিরাপত্তা হুমকি সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বহু বিদেশি ও দ্বৈত নাগরিককে আটক করেছে রেভল্যুশনারি গার্ড।
মানবাধিকার সংগঠন ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের অভিযোগ, কূটনৈতিক আলোচনায় চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব গ্রেফতারকে ব্যবহার করে তেহরান। তবে ইরান সরকার রাজনৈতিক কারণে কাউকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার করে থাকে।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্টারের নাম 



















