ভারতে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে পানিতে ডুবিয়ে মারতে চেয়েছিল তার নিজেরই বাবা। প্রায় দুমাস নিখোঁজ থাকার পর রবিবার (৭ ডিসেম্বর) জনসম্মুখে এসে সেই হত্যাচেষ্টাকারী বাবারই মুক্তির আকুতি জানালেন তিনি।
ঘটনাটি পাঞ্জাব অঙ্গরাজ্যের ফিরোজপুর জেলার। সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখ মা ও তিন বোনের সামনেই হাত বেঁধে খালে ফেলে দেয় তার বাবা সুরজিত সিং। মেয়ের ‘চরিত্র’ নিয়ে ‘সন্দেহ’ থাকায় এই পদক্ষেপ নেয় সে, যা আবার বীরদর্পে নিজেই ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেয়।
ওই ভিডিও ভাইরাল হলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনার পর মেয়েটির এক আত্মীয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ফিরোজপুর নগর পুলিশ সুরজিতের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে। তখন থেকে সে কারাগারে আছে।
নিজের সেই ভয়াবহ মুহূর্তের মেয়েটি জানান, প্রবল স্রোতের মধ্যে সৌভাগ্যক্রমে তার হাতের বাঁধন আলগা হয়ে যায়। ভেসে যাওয়ার সময় তিনি পানিতে থাকা একটি লোহার অংশ আঁকড়ে ধরে তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হন। পরে তিন পথচারী তাকে উদ্ধার করেন।
এই দুই মাস তিনি কোথায় ছিলেন তা অবশ্য প্রকাশ করেননি ওই কিশোরী। তিনি কেবল জানান যে, তিনি প্রচণ্ড অসুস্থ ছিলেন এবং এ কয়দিন চিকিৎসা নিয়েছেন।
হত্যাচেষ্টায় নিজের মায়ের উসকানি ছিল বলেও অভিযোগ করেন ওই কিশোরী। তবে এতকিছুর পরও বাবার মুক্তি চেয়ে বলেন, আমার ছোট বোনগুলোকে দেখাশোনার কেউ নেই। আমার বাবাকে মুক্তি দিন।
নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশি সুরক্ষা চেয়েছেন তিনি। তার নতুন সাক্ষ্য যুক্ত হওয়ায় মামলাটি হত্যা থেকে হত্যাচেষ্টায় রূপান্তরিত হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
রিপোর্টারের নাম 



















