বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার মূল্যায়নের জন্য আজ রবিবার (৭ ডিসেম্বর) তাঁর সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে।
গতকাল শনিবার (৬ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, বিদেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মূলত তাঁর ভবিষ্যৎ শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে তাঁকে এখনই বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয়, তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা আছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের ও বিদেশের চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন এবং বোর্ডের সদস্যরা বিগত ছয় বছর ধরে দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এদিকে, বেগম জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের আগমনের বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) নতুন সময়সূচি জানিয়েছে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, জার্মান এভিয়েশন কোম্পানি এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আগামী মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় অবতরণ এবং পরদিন বুধবার (১০ ডিসেম্বর) লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার জন্য ফ্লাইট শিডিউল আবেদন করেছে, যা সিভিল অ্যাভিয়েশন অনুমোদন দিয়েছে।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে রবিবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়া আগের তুলনায় ভালো আছেন এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সূচকের উন্নতি হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা চলমান থাকায় তিনি দেশে চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন এবং তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে। রবিবার সিটি স্ক্যান, ইসিজিসহ আরও কিছু পরীক্ষার ফলও আগের চেয়ে ভালো এসেছে বলে তিনি যোগ করেন।
সিসিইউতে কতদিন তাঁকে রাখা হবে, তা সুস্থতার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিক চিকিৎসার সমন্বয় করছেন ও আরও কয়েক দিন বাংলাদেশে থাকবেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এনামুল হক চৌধুরী জানান, মেডিকেল বোর্ডের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেই খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























