আন্তর্জাতিক বাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বর্তমানে এক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান অচলাবস্থার ফল। এর মধ্যেই আগামী রোববার শেষ হতে যাচ্ছে গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ। এই পরিস্থিতি হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, যা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ।
সমঝোতা স্মারকের ৫ নম্বর ধারায় এই জলপথ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের ‘নিরাপদ চলাচলের’ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরপরই উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পুনরায় হামলা শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে পাকিস্তান মধ্যস্থতার উদ্যোগ জোরদার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেছেন।
অন্যদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তাদের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ছাড় করতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কখনও সংঘাত আরও বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন, আবার কখনও শিগগিরই শান্তিচুক্তি হওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো সমঝোতা হয় কিনা, নাকি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























