মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ইয়েমেনে মার্কিন হামলায় ১৫৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত: পেন্টাগনের প্রতিবেদন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালে ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ১৫৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ২৪৩ জন আহত হয়েছেন। পেন্টাগনের একটি নতুন পর্যালোচনায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

পর্যালোচনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে রাজধানী সানা ও হুথি-নিয়ন্ত্রিত রাস ইসা জ্বালানি বন্দরে তিনটি পৃথক হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রাস ইসা বন্দরে হওয়া হামলাটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে ৮০ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হন। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে এই হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল হুথিদের জ্বালানি সরবরাহ ও রাজস্বের উৎস বন্ধ করা।

তবে, পেন্টাগনের নিজস্ব পর্যালোচনায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট চিত্র এবং অন্যান্য উন্মুক্ত সূত্রের বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, ওই তিন হামলায় ‘সম্ভবত বেসামরিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন’। আশ্চর্যজনকভাবে, পেন্টাগন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বা সমবেদনা অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও এর পেছনের কারণ প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে মার্কিন সামরিক অভিযানে মাত্র ২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ২ জন আহত হওয়ার কথা পেন্টাগন জানিয়েছিল।

এছাড়াও, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সংক্রান্ত আরও ১৫টি ঘটনা বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড পর্যালোচনা করছে। এর ফলে ইয়েমেনে মার্কিন হামলায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পেন্টাগনের এই তথ্য প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে বেসামরিক প্রাণহানি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার মৃত্যুশোক কাটিয়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মিয়ামির হার

ইয়েমেনে মার্কিন হামলায় ১৫৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত: পেন্টাগনের প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

২০২৬ সালে ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ১৫৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ২৪৩ জন আহত হয়েছেন। পেন্টাগনের একটি নতুন পর্যালোচনায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

পর্যালোচনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে রাজধানী সানা ও হুথি-নিয়ন্ত্রিত রাস ইসা জ্বালানি বন্দরে তিনটি পৃথক হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রাস ইসা বন্দরে হওয়া হামলাটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে ৮০ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হন। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে এই হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল হুথিদের জ্বালানি সরবরাহ ও রাজস্বের উৎস বন্ধ করা।

তবে, পেন্টাগনের নিজস্ব পর্যালোচনায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট চিত্র এবং অন্যান্য উন্মুক্ত সূত্রের বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, ওই তিন হামলায় ‘সম্ভবত বেসামরিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন’। আশ্চর্যজনকভাবে, পেন্টাগন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বা সমবেদনা অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও এর পেছনের কারণ প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে মার্কিন সামরিক অভিযানে মাত্র ২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ২ জন আহত হওয়ার কথা পেন্টাগন জানিয়েছিল।

এছাড়াও, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সংক্রান্ত আরও ১৫টি ঘটনা বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড পর্যালোচনা করছে। এর ফলে ইয়েমেনে মার্কিন হামলায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পেন্টাগনের এই তথ্য প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে বেসামরিক প্রাণহানি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।