রাজধানী ঢাকা শহর আবারও মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরের সাক্ষী হলো। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নগরীর কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডা ও মুগদা—এই তিন এলাকা থেকে পৃথক তিনটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে তিনটি ঘটনাতেই আত্মহত্যার বিষয়টি সামনে আসছে, তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাগুলো নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে শোকের ছায়া ফেলেছে।
সকাল থেকে বেলা ১১টার মধ্যে পৃথক সময়ে এই লাশগুলো উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন—কামরাঙ্গীরচরের নয়ন (৩০), বাড্ডার রবিউল সানি (৩২) এবং মুগদার সবুজ বাবু (২০)। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিটি ঘটনার পেছনেই পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সংকটকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে এই কারণগুলোই সরাসরি মৃত্যুর জন্য দায়ী কিনা, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
কামরাঙ্গীরচরে স্ত্রীর বিচ্ছেদের পর নয়নের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নয়নের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনদের ভাষ্যমতে, দাম্পত্য কলহের জেরে নয়নের স্ত্রী তাদের সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পুলিশ এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে দেখলেও পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
অন্যদিকে, বাড্ডার জামতলা এলাকায় রবিউল সানি (৩২) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তা তার মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো নগরীর নিরাপত্তা ও সামাজিক অস্থিরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
রিপোর্টারের নাম 


















