মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

শাহবাগে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু, যানজট নিরসনে নতুন দিগন্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার যানজট নিরসনে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পথে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা তীব্র যানজট, যা নাগরিকদের প্রতিদিনের মূল্যবান কর্মঘণ্টা কেড়ে নিচ্ছে। এই সমস্যার টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ প্রযুক্তি-নির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ঢাকা শহরের যানবাহন চলাচল নিয়মতান্ত্রিক ও গতিশীল করতে একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই আধুনিক সিগন্যাল সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই সিগন্যাল ব্যবস্থাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সরাসরি কারিগরি সহায়তায় স্থাপন করা হয়েছে। আজ শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভসূচনা হলো। ডিএসসিসি’র অধীনে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত ৮টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলামটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম চত্বর, শিক্ষা ভবন এবং শাহবাগ মোড়।

প্রশাসক জানান, এই কার্যক্রম এখানেই শেষ হচ্ছে না। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই আধুনিক সিগন্যাল সিস্টেম চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই ডিএসসিসি-র আওতাধীন আরও ২২টি ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল চালু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ডিজিটালাইজেশন সফল হলে নগরের কোটি মানুষের কর্মঘণ্টা যেমন বাঁচবে, তেমনি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের পেশাগত কষ্টও লাঘব হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল ধরে রাখতে ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে এবং একটি গতিশীল ও আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের ঘোষণা: রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উদযাপন মাসব্যাপী

শাহবাগে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু, যানজট নিরসনে নতুন দিগন্ত

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার যানজট নিরসনে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পথে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা তীব্র যানজট, যা নাগরিকদের প্রতিদিনের মূল্যবান কর্মঘণ্টা কেড়ে নিচ্ছে। এই সমস্যার টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ প্রযুক্তি-নির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ঢাকা শহরের যানবাহন চলাচল নিয়মতান্ত্রিক ও গতিশীল করতে একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই আধুনিক সিগন্যাল সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই সিগন্যাল ব্যবস্থাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সরাসরি কারিগরি সহায়তায় স্থাপন করা হয়েছে। আজ শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভসূচনা হলো। ডিএসসিসি’র অধীনে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত ৮টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলামটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম চত্বর, শিক্ষা ভবন এবং শাহবাগ মোড়।

প্রশাসক জানান, এই কার্যক্রম এখানেই শেষ হচ্ছে না। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই আধুনিক সিগন্যাল সিস্টেম চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই ডিএসসিসি-র আওতাধীন আরও ২২টি ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল চালু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ডিজিটালাইজেশন সফল হলে নগরের কোটি মানুষের কর্মঘণ্টা যেমন বাঁচবে, তেমনি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের পেশাগত কষ্টও লাঘব হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল ধরে রাখতে ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে এবং একটি গতিশীল ও আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।