মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উত্তেজনা: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেন বিএনপি-জামায়াত নেতারা

মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানীয় সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে সংসদ সদস্য তার সমর্থকদের নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংসদ সদস্য ও জামায়াত কর্মীরা হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে এক ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে কথা কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করলে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সংসদ সদস্য ও তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তার সাথে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জরুরি বৈঠকে বসেন। উভয় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিএনপি নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন, অন্যদিকে জামায়াত নেতৃবৃন্দ হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার আন্দোলনে কোনো বাধা বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: জামায়াতকে যোগ দেওয়ার আহ্বান মেজর আক্তারের

মেহেরপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উত্তেজনা: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেন বিএনপি-জামায়াত নেতারা

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানীয় সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে সংসদ সদস্য তার সমর্থকদের নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংসদ সদস্য ও জামায়াত কর্মীরা হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে এক ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে কথা কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করলে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সংসদ সদস্য ও তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তার সাথে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জরুরি বৈঠকে বসেন। উভয় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিএনপি নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন, অন্যদিকে জামায়াত নেতৃবৃন্দ হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার আন্দোলনে কোনো বাধা বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।