মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগমের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মারা গেছেন। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট সকালে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগমসহ তার মেয়ে ইতি ও নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন। আহতদের প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রশাসনের সহায়তায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। মেয়ে ও নাতি সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

বরিশাল জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন এই ঘটনার শুরু থেকেই আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিল। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের মরদেহ বাড়িতে আনা এবং দাফনসহ যাবতীয় খরচ সরকারিভাবে বহন করা হবে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘থাউজ্যান্ড মার্টিয়ার্স কাপ’: দীর্ঘ তিন বছর পর মাঠে ফিরছে ফিলিস্তিনি ফুটবল

বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগমের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মারা গেছেন। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট সকালে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগমসহ তার মেয়ে ইতি ও নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন। আহতদের প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রশাসনের সহায়তায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। মেয়ে ও নাতি সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

বরিশাল জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন এই ঘটনার শুরু থেকেই আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিল। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের মরদেহ বাড়িতে আনা এবং দাফনসহ যাবতীয় খরচ সরকারিভাবে বহন করা হবে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।