মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযান: ২ কোটি টাকার মালামাল জব্দ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ও সরঞ্জাম জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি টাকা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামে একটি গোডাউনের ভেতরে গোপনে এই কারখানাটি গড়ে তোলা হয়েছিল।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে নেভি, ডার্বি ও রয়েল ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট এবং পণ্য তৈরির বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় কারখানার সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গোডাউন মালিক জনৈক হাবিব মাস্টার দাবি করেছেন, তিনি মাসিক ভাড়ার বিনিময়ে এটি ভাড়া দিয়েছিলেন এবং সেখানে কী কাজ হতো তা তার জানা ছিল না। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলেও এই কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা পুনরায় চালু করা হয়। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উত্তেজনা: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেন বিএনপি-জামায়াত নেতারা

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযান: ২ কোটি টাকার মালামাল জব্দ

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ও সরঞ্জাম জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি টাকা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামে একটি গোডাউনের ভেতরে গোপনে এই কারখানাটি গড়ে তোলা হয়েছিল।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে নেভি, ডার্বি ও রয়েল ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট এবং পণ্য তৈরির বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় কারখানার সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গোডাউন মালিক জনৈক হাবিব মাস্টার দাবি করেছেন, তিনি মাসিক ভাড়ার বিনিময়ে এটি ভাড়া দিয়েছিলেন এবং সেখানে কী কাজ হতো তা তার জানা ছিল না। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলেও এই কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা পুনরায় চালু করা হয়। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।