দেশের ইকো-ট্যুরিজম খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই খাতের আমূল পরিবর্তন আনতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা এসব তথ্য জানান। ‘ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এই সেমিনারে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও পর্যটন খাতে যে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, তা বিগত সরকারগুলোর আমলে সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে নিয়মিত বৈঠক ও সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অংশ হিসেবে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগরসহ বিভিন্ন গ্রামকে মডেল পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
একইভাবে দেশের ৬৪ জেলার পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সেমিনারে বিমান সচিব ফাহমিদা আখতার জানান, পর্যটন খাতের সঠিক পরিসংখ্যান ও তথ্যভাণ্ডার নিশ্চিত করতে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ (টিএসএ) তৈরির কাজ চলছে। অতীতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা কাটিয়ে উঠে একটি যুগোপযোগী ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। তারা দেশের পর্যটন খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















