মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের স্বাক্ষর জাল: রিমান্ডে প্রতারক চক্রের ৬ সদস্য

বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নথি তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ছয় প্রতারককে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসি, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের লেটারহেড ব্যবহার করে নিয়োগ ও বদলিসহ নানা তদবিরের ভুয়া চিঠি তৈরি করে আসছিল। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরে একটি সন্দেহজনক চিঠি আসার পর বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের নজরে আসে। তদন্তে দেখা যায়, তারা অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্বাক্ষর নকল করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।

গোয়েন্দা শাখার সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ জানিয়েছে, এই চক্রের পেছনে অন্য কোনো অশুভ শক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নষ্ট করতে এই ধরনের জালিয়াতি একটি বড় হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: জামায়াতকে যোগ দেওয়ার আহ্বান মেজর আক্তারের

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের স্বাক্ষর জাল: রিমান্ডে প্রতারক চক্রের ৬ সদস্য

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নথি তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ছয় প্রতারককে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসি, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের লেটারহেড ব্যবহার করে নিয়োগ ও বদলিসহ নানা তদবিরের ভুয়া চিঠি তৈরি করে আসছিল। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরে একটি সন্দেহজনক চিঠি আসার পর বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের নজরে আসে। তদন্তে দেখা যায়, তারা অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্বাক্ষর নকল করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।

গোয়েন্দা শাখার সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ জানিয়েছে, এই চক্রের পেছনে অন্য কোনো অশুভ শক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নষ্ট করতে এই ধরনের জালিয়াতি একটি বড় হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।