ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তার নীতি ও আচরণে পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হবে। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাকের জুলকাদর এক বার্তায় এই হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।
প্রেসটিভি জানিয়েছে, সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া ওই বার্তায় জুলকাদর আঞ্চলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, যুদ্ধ বা আলোচনা—কোনো ক্ষেত্রেই ইরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
হরমুজ প্রণালি খোলার ক্ষেত্রে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত বা আচরণের পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
• হুমকি বন্ধ: ইরানকে কোনো ধরনের হুমকি দেওয়া যাবে না এবং দেশটির জনগণের পবিত্র মূল্যবোধের অবমাননা বন্ধ করতে হবে।
• আগ্রাসন বন্ধ: ইরান এবং লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকে তেহরানের মিত্রদের বিরুদ্ধে সব ধরনের যুদ্ধ ও আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
• সেনা প্রত্যাহার: সামুদ্রিক অবরোধ তুলে নিয়ে ইরানের আশপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সব সামরিক উপস্থিতি সরাতে হবে।
• ক্ষতিপূরণ পরিশোধ: ইরানের বিরুদ্ধে অতীতে চালানো দুই দফা আগ্রাসন ও চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
• নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া: ইরানের জনগণের ওপর আরোপিত সব ধরনের অন্যায় ও অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।
• সম্পদ ফেরত: ইরানের আটকে রাখা বা জব্দ করা সম্পদ কোনো শর্ত ছাড়াই ফিরিয়ে দিতে হবে।
জুলকাদর আরও উল্লেখ করেন, গত ১৬০ দিন ধরে ইরানের সাধারণ মানুষ রাজপথে থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই দাবিগুলোই জানিয়ে আসছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ দেশের জনগণের এই অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 
























