পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য একটি দক্ষতা তৈরি করা এখন অনেক তরুণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের মতো প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু একটি শিক্ষাগত সনদ থাকাই অনেক সময় যথেষ্ট হয় না। প্রয়োজন হয় বাস্তব কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের জ্ঞান। এ কারণে অল্প বয়স থেকেই বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা শেখার প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে, যার মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং অন্যতম জনপ্রিয় একটি ক্ষেত্র।
তবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়—কোন কাজ দিয়ে শুরু করব? কী শিখব? কোথা থেকে শিখব? আসলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরু কোনো নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে নয়। শুরুটা হওয়া উচিত নিজেকে চেনা এবং নিজের জন্য উপযুক্ত একটি দক্ষতা খুঁজে বের করার মাধ্যমে।
কোন কাজ দিয়ে শুরু করবেন, তা বুঝতে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ডিজিটাল মার্কেটিং—এসবের মধ্যে কোনটি আপনার জন্য সেরা, তা নির্ধারণ করা জরুরি। অন্য কেউ যে কাজ করে সফল হয়েছেন, সেই কাজই আপনার জন্য উপযুক্ত হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে—আমি কোন কাজ করতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি? কোন কাজ করতে গেলে আমার আগ্রহ ধরে থাকে? কোন বিষয়ে আমি অন্যদের তুলনায় বেশি দক্ষ? কোন কাজ শিখতে গিয়ে আমি আনন্দ পাই? যে কাজ করতে ভালো লাগে, সাধারণত সেই কাজ শেখার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা করাও সহজ হয়।
নিজের পছন্দ বুঝতে না পারলে, একটি কাজ বেছে নিয়ে বছরের পর বছর সেটি করার আগে কয়েকটি কাজ একটু একটু করে চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে। যেমন কয়েক সপ্তাহ গ্রাফিক ডিজাইন শেখা, এরপর ভিডিও এডিটিং, তারপর ওয়েব ডিজাইনের প্রাথমিক ধারণা নেওয়া। একইভাবে লেখালেখি, SEO, ডিজিটাল মার্কেটিং কিংবা অন্য কোনো কাজও পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। এভাবে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পর নিজের কাছে প্রশ্ন করতে হবে—কোন কাজটি করতে গিয়ে সময় দ্রুত চলে যায়? কোন কাজটি শেখার সময় বিরক্তি আসে না? কোন কাজটি আরও ভালোভাবে শেখার ইচ্ছা তৈরি করে? যে কাজটির প্রতি আপনার আগ্রহ তৈরি হবে, সেটিই হতে পারে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের সূচনা।
রিপোর্টারের নাম 

























