মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

অভাবের তাড়নায় জোড়ালাগা যমজ শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

কুষ্টিয়ায় জন্ম নেওয়া জোড়ালাগা যমজ দুই বোন উম্মে জয়নব ও উম্মে কুলসুমের ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। জন্মের পর থেকেই একে অপরের সঙ্গে বুক থেকে পেট পর্যন্ত অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত এই শিশুদের আলাদা করার জন্য আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও, তাদের দরিদ্র বাবা নাহিদ হাসানের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

গত ৪ মে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ কন্যাশিশুর জন্ম দেন নাহিদের স্ত্রী সানজিদা ইয়াছমিন মুক্তা। জন্মের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশু দুটিকে আলাদা করার জন্য একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নিয়মিত চিকিৎসা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখা প্রয়োজন। জন্মের তিন মাস পূর্ণ হলে পুনরায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন তারা।

বর্তমানে নাহিদ হাসান একটি স্থানীয় দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে মাসে মাত্র ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করেন। এই সামান্য আয় দিয়ে পাঁচ সদস্যের সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে যমজ সন্তানদের দুধ, ওষুধ ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানো তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে তিনি ধারদেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশু দুটির দ্রুত পরবর্তী চিকিৎসা জরুরি। অন্যদিকে, দৌলতপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেছেন, পরিবারটি সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করলে রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান পরিবর্তন না আনলে চাপ অব্যাহত থাকবে: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

অভাবের তাড়নায় জোড়ালাগা যমজ শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ১০:২২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ায় জন্ম নেওয়া জোড়ালাগা যমজ দুই বোন উম্মে জয়নব ও উম্মে কুলসুমের ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। জন্মের পর থেকেই একে অপরের সঙ্গে বুক থেকে পেট পর্যন্ত অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত এই শিশুদের আলাদা করার জন্য আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও, তাদের দরিদ্র বাবা নাহিদ হাসানের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

গত ৪ মে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ কন্যাশিশুর জন্ম দেন নাহিদের স্ত্রী সানজিদা ইয়াছমিন মুক্তা। জন্মের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশু দুটিকে আলাদা করার জন্য একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নিয়মিত চিকিৎসা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখা প্রয়োজন। জন্মের তিন মাস পূর্ণ হলে পুনরায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন তারা।

বর্তমানে নাহিদ হাসান একটি স্থানীয় দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে মাসে মাত্র ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করেন। এই সামান্য আয় দিয়ে পাঁচ সদস্যের সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে যমজ সন্তানদের দুধ, ওষুধ ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানো তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে তিনি ধারদেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশু দুটির দ্রুত পরবর্তী চিকিৎসা জরুরি। অন্যদিকে, দৌলতপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেছেন, পরিবারটি সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করলে রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।