মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

ভবদহে ফের ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: বিপাকে লাখো মানুষ, তলিয়ে গেছে শত শত মাছের ঘের

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে টানা বর্ষণে আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি। দীর্ঘদিনের এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন কাজ চললেও অতিবৃষ্টির কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় এলাকার প্রায় ২২০টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে, যার প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা। বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় সংগ্রাম কমিটির নেতারা বলছেন, শুধু নদী খনন নয়, টিআরএম বা জোয়ারাধার পদ্ধতি কার্যকর না করলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, খর্ণিয়া এলাকায় ড্রেজিং কাজ কিছুটা বিলম্বিত হওয়ায় পানি নামতে বাধা পাচ্ছে। তবে বর্তমানে ৯টি স্লুইস গেট দিয়ে পানি নিষ্কাশন শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও ১১টি গেট সচল করা হবে। ভারী বৃষ্টি না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাঁশখালীতে হস্তান্তর করবেন ১০০ ঘর

ভবদহে ফের ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: বিপাকে লাখো মানুষ, তলিয়ে গেছে শত শত মাছের ঘের

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে টানা বর্ষণে আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি। দীর্ঘদিনের এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন কাজ চললেও অতিবৃষ্টির কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় এলাকার প্রায় ২২০টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে, যার প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা। বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় সংগ্রাম কমিটির নেতারা বলছেন, শুধু নদী খনন নয়, টিআরএম বা জোয়ারাধার পদ্ধতি কার্যকর না করলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, খর্ণিয়া এলাকায় ড্রেজিং কাজ কিছুটা বিলম্বিত হওয়ায় পানি নামতে বাধা পাচ্ছে। তবে বর্তমানে ৯টি স্লুইস গেট দিয়ে পানি নিষ্কাশন শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও ১১টি গেট সচল করা হবে। ভারী বৃষ্টি না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।