হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করার জন্য ইরান ও ওমান একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। এ বিষয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে। তবে, তেহরান ও মাস্কাটের এই প্রস্তাবিত চুক্তির জন্য এখনও ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
প্রস্তাবিত হরমুজ চুক্তিটি ৬০ দিন স্থায়ী হবে, যার মূল লক্ষ্য হলো সামুদ্রিক যান চলাচল স্বাভাবিক করা। এই স্বল্পমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে বর্তমান অচলাবস্থা ভেঙে প্রযুক্তিগত আলোচনার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশকারী জাহাজগুলো ইরানের কাছাকাছি নৌপথ ব্যবহার করবে, আর প্রণালী থেকে বের হওয়া জাহাজগুলো ওমানের কাছাকাছি নৌপথ দিয়ে চলাচল করবে। মাইন অপসারণের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক পক্ষগুলো এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসমি মুনিরের সঙ্গে দুই দফা টেলিফোনে কথা বলেছেন। চলতি সপ্তাহান্তে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে আরাঘচির ইসলামাবাদ সফরের কথা রয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে অবহিত করবেন। উপসাগরীয় দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান মুনির ৬ থেকে ৮ আগস্ট সৌদি আরব সফর করবেন বলে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে। এই সফরে উভয় কর্মকর্তার সঙ্গে একটি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিদল থাকবে এবং শরীফের সৌদি যুবরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























