মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ভারতের, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন পথে অগ্রসর হবে, সে বিষয়ে ভারতকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। ক্ষমতাচ্যুত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হোক, তা দুই দেশের জনগণ ও সরকার চায় বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। তবে ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী ও সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের লোকজন এবং তাদের প্রধান যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন, আর সেটি যদি ভারত সরকার এই মুহূর্তে বন্ধ না করে, তাহলে তা অবশ্যই বাংলাদেশের মানুষের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিমন্ত্রী ওবায়েদ আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং নানা ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখন সিদ্ধান্তটা ভারতকেই নিতে হবে যে তারা স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী ও সাজাপ্রাপ্তদের তাদের ভূখণ্ডে বক্তব্য দিতে দেবে কি না। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফন, প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ভারতের, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন পথে অগ্রসর হবে, সে বিষয়ে ভারতকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। ক্ষমতাচ্যুত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হোক, তা দুই দেশের জনগণ ও সরকার চায় বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। তবে ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী ও সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের লোকজন এবং তাদের প্রধান যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন, আর সেটি যদি ভারত সরকার এই মুহূর্তে বন্ধ না করে, তাহলে তা অবশ্যই বাংলাদেশের মানুষের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিমন্ত্রী ওবায়েদ আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং নানা ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখন সিদ্ধান্তটা ভারতকেই নিতে হবে যে তারা স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী ও সাজাপ্রাপ্তদের তাদের ভূখণ্ডে বক্তব্য দিতে দেবে কি না। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।