দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক সংসদ সদস্য ও আলোচিত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের প্রমাণ পেয়েছে। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাকিব আল হাসানসহ অভিযুক্ত ১৫ জনের নামে দ্রুতই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০২৫ সালের একটি তারিখে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। উল্লেখ্য, এই মামলাটি গত ২০২৫ সালের ১৭ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ. মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের তদন্ত চলছে। সূত্র মতে, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অতীতে ক্রিকেট নিয়ে কেলেঙ্কারির দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাকে নিষিদ্ধ করেছিল। এছাড়াও, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর তিনিও দেশত্যাগ করতে সক্ষম হন।
তার বিরুদ্ধে অবৈধ জুয়া ব্যবসা, গোল্ড স্মাগলিং, ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচন কমিশনে সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগের অনুসন্ধানও চলমান রয়েছে। আর্থিক অনিয়ম ও বাজার কারসাজির অভিযোগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে। অতীতে মেজাজ হারিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙা, আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়ানো এবং দর্শকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























