মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

ফ্রান্সে নজিরবিহীন খরা: শুকিয়ে গেছে ৪৩ শতাংশ ছোট নদী ও জলপথ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

তীব্র খরার কবলে পড়ে ফ্রান্সে ছোট নদী ও জলপথগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটির জীববৈচিত্র্য দপ্তর (ওএফবি)-এর সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ও কর্সিকার প্রায় ৪৩ শতাংশ ছোট জলধারার পানিপ্রবাহ হয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, নয়তো সেগুলো শুকিয়ে গেছে। সংস্থাটি এই পরিস্থিতিকে বর্তমান সময়ের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে অভিহিত করেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের এই গ্রীষ্মকাল ফ্রান্সের জলবায়ুর ইতিহাসে একটি নেতিবাচক ‘টার্নিং পয়েন্ট’। গত ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর পরিস্থিতির দুই গুণেরও বেশি অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে দেশটির পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাগুলোতে খরার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে, যা কৃষি ও জলজ পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

নদী ও খাল শুকিয়ে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে। ওএফবি-এর মতে, এই পরিবেশগত বিপর্যয়ের ফলে মিঠাপানির সরবরাহ ও স্বাভাবিক পানি পরিশোধন ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। ফ্রান্সের প্রায় ৬০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এখন অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিনি: জরিপ

ফ্রান্সে নজিরবিহীন খরা: শুকিয়ে গেছে ৪৩ শতাংশ ছোট নদী ও জলপথ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

তীব্র খরার কবলে পড়ে ফ্রান্সে ছোট নদী ও জলপথগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটির জীববৈচিত্র্য দপ্তর (ওএফবি)-এর সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ও কর্সিকার প্রায় ৪৩ শতাংশ ছোট জলধারার পানিপ্রবাহ হয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, নয়তো সেগুলো শুকিয়ে গেছে। সংস্থাটি এই পরিস্থিতিকে বর্তমান সময়ের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে অভিহিত করেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের এই গ্রীষ্মকাল ফ্রান্সের জলবায়ুর ইতিহাসে একটি নেতিবাচক ‘টার্নিং পয়েন্ট’। গত ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর পরিস্থিতির দুই গুণেরও বেশি অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে দেশটির পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাগুলোতে খরার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে, যা কৃষি ও জলজ পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

নদী ও খাল শুকিয়ে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে। ওএফবি-এর মতে, এই পরিবেশগত বিপর্যয়ের ফলে মিঠাপানির সরবরাহ ও স্বাভাবিক পানি পরিশোধন ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। ফ্রান্সের প্রায় ৬০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এখন অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে।