মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদের প্রতি বুয়েট উপাচার্যের গভীর শ্রদ্ধা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বিশেষ বিবৃতিতে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি থেকে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন পরবর্তীতে দেশের সর্বস্তরের মানুষের ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এক মহা-বিস্ফোরণে পরিণত হয়েছিল।

বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। বুয়েট কর্তৃপক্ষ মনে করে, জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার—শিক্ষা ও গবেষণার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।

উপাচার্য তার বক্তব্যে বুয়েট পরিবারের সকল সদস্যকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার স্থান নয়, বরং এটি স্বাধীন চিন্তা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের প্রধান কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যেই বুয়েট তার শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একগুঁয়েমির কারণে ভারতের অসন্তোষের মুখে শেখ হাসিনা: রাজনৈতিক পুনর্বাসনে দিল্লির পরামর্শ প্রত্যাখ্যান

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদের প্রতি বুয়েট উপাচার্যের গভীর শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ১২:১৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বিশেষ বিবৃতিতে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি থেকে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন পরবর্তীতে দেশের সর্বস্তরের মানুষের ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এক মহা-বিস্ফোরণে পরিণত হয়েছিল।

বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। বুয়েট কর্তৃপক্ষ মনে করে, জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার—শিক্ষা ও গবেষণার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।

উপাচার্য তার বক্তব্যে বুয়েট পরিবারের সকল সদস্যকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার স্থান নয়, বরং এটি স্বাধীন চিন্তা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের প্রধান কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যেই বুয়েট তার শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।