বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছিল বলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষক মহল থেকে জানা যায়। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তাঁর নিয়মিত ‘ডিব্রিফিং সেশন’ থেকে সরে আসার পর এমন জল্পনা তৈরি হয়। ভারতে আগত বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে নিয়মিত ডিব্রিফিং সেশন করার রীতি বিদ্যমান, যেখানে অতিথিদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্বন্ধে অবহিত করা, ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করা এবং তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা বুঝিয়ে বলা হয়।
ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ভারতে আসার পর প্রথম কয়েক মাস অজিত ডোভাল নিজেই এই ভূমিকা পালন করেছিলেন। ঢাকায় বহু ঘোষিত ও অঘোষিত সফরের সুবাদে শেখ হাসিনার সঙ্গে ডোভালের একটি ভালো ব্যক্তিগত সমীকরণ তৈরি হয়েছিল, ফলে এই প্রক্রিয়াটি মসৃণভাবে চলছিল। তবে, নানা ব্যস্ততার কারণে অথবা অন্য কোনো অজানা কারণে ডোভাল পরবর্তীতে এই দায়িত্ব থেকে সরে আসেন।
ডোভাল অনেকটাই সরে যাওয়ার পর ভারতের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) প্রধান তপন ডেকা এবং গত মাসে ডেকার অবসরের পর বর্তমান প্রধান মহেশ দীক্ষিতের কাঁধে এই দায়িত্ব এসে পড়েছিল। অনেক পর্যবেক্ষকই এই পরিবর্তনকে দিল্লির চোখে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার গুরুত্ব কমে যাওয়ার একটি প্রমাণ হিসেবে দেখেছেন। এই ঘটনাগুলো বিগত সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনার অবস্থান ও ভারতের সঙ্গে তার সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি নিয়ে তৎকালীন সময়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
রিপোর্টারের নাম 





















