সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের জন্য আকামা নবায়ন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের স্বস্তির খবর দিয়েছে দেশটির সরকার। এখন থেকে কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিল যদি কর্মীর আকামা নবায়ন করতে ব্যর্থ হন বা না করেন, তবে ওই কর্মী আইনি জটিলতা ছাড়াই অন্য কোনো নিয়োগকর্তার অধীনে নিজের আকামা নবায়ন করে নিতে পারবেন।
মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধি দলের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সৌদি আরবের হিউম্যান রিসোর্সেস ডেপুটি মিনিস্টার মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা বৈঠকে জানান, বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় এবং শ্রমবাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সৌদি সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনটি গৃহকর্মী নিয়োগ চুক্তি এবং শ্রম দক্ষতা যাচাইকরণ প্রোগ্রাম (এসভিপি) চুক্তি নবায়নের প্রস্তাব দেন। এছাড়া বাংলাদেশে একটি ‘সৌদি-বাংলাদেশ যৌথ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আরবি ভাষায় পারদর্শী হওয়ায় তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সৌদি আরবে ক্রমবর্ধমান কর্মসংস্থানে বাংলাদেশি দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নারী কর্মীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























