মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

দণ্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: গণমাধ্যমকে সরকারের কড়া বার্তা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার ভারতে পলাতক ও জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার দণ্ডিত আসামি শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য প্রচার না করতে দেশের সকল গণমাধ্যমের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২০২৬ সালের) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি তথ্য বিবরণীতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ইতোপূর্বেই জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত ও বর্তমানে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আইসিটি’র এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইসিটি পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করতে, দণ্ডিত আসামির পূর্বে দেওয়া সব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরাতে এবং নতুন করে কোনো প্রচার ও প্রকাশ না করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিও দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে আইনের সুস্পষ্ট ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করছে। সরকার এ ধরনের কার্যক্রমে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানায়, সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে। যেসব গণমাধ্যম বিগত সরকারের ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক প্রধান শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সব গণমাধ্যমকে (টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া) পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য সরকার আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে। সরকার আশা করে, দেশের সকল গণমাধ্যম পূর্বের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ: দেশে ফিরলে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

দণ্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: গণমাধ্যমকে সরকারের কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার ভারতে পলাতক ও জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার দণ্ডিত আসামি শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য প্রচার না করতে দেশের সকল গণমাধ্যমের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২০২৬ সালের) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি তথ্য বিবরণীতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ইতোপূর্বেই জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত ও বর্তমানে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আইসিটি’র এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইসিটি পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করতে, দণ্ডিত আসামির পূর্বে দেওয়া সব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরাতে এবং নতুন করে কোনো প্রচার ও প্রকাশ না করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিও দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে আইনের সুস্পষ্ট ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করছে। সরকার এ ধরনের কার্যক্রমে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানায়, সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে। যেসব গণমাধ্যম বিগত সরকারের ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক প্রধান শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সব গণমাধ্যমকে (টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া) পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য সরকার আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে। সরকার আশা করে, দেশের সকল গণমাধ্যম পূর্বের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।