মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তঋণ যেকোনো মূল্যে পরিশোধ করতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি ২০২৪ সালের এই দিনটিকে জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় ও অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা, শিক্ষক, অভিভাবক ও সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনা নির্বিচারে গুলিবর্ষণের নির্দেশ দিলেও মুক্তিকামী মানুষকে দমানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার বীরত্বপূর্ণ অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন, যার মাধ্যমে দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।

জামায়াত আমির তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ প্রায় দেড় হাজার শহীদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি পুরো জাতি ঋণী। এই রক্তঋণ পরিশোধে একটি বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের পতন পরবর্তী সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল পেরিয়ে বর্তমানে নির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম প্রতিরোধ আইন, ২০২৬: ‘অধিকারের’ গভীর উদ্বেগ, সংশোধনের দাবি

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তঋণ যেকোনো মূল্যে পরিশোধ করতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৯:৪০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি ২০২৪ সালের এই দিনটিকে জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় ও অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা, শিক্ষক, অভিভাবক ও সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনা নির্বিচারে গুলিবর্ষণের নির্দেশ দিলেও মুক্তিকামী মানুষকে দমানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার বীরত্বপূর্ণ অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন, যার মাধ্যমে দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।

জামায়াত আমির তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ প্রায় দেড় হাজার শহীদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি পুরো জাতি ঋণী। এই রক্তঋণ পরিশোধে একটি বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের পতন পরবর্তী সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল পেরিয়ে বর্তমানে নির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।